May 31, 2026, 6:35 am
যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নির্বাচনে জো বাইডেনের জয়লাভের ফলে দেশটির সঙ্গে রপ্তানি বাণিজ্যে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন রপ্তানিকারকরা। যদিও বাণিজ্য বিশ্নেষকরা বলছেন, সরাসরি রপ্তানিতে খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার সুযোগ কম। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হলে চাহিদা বাড়বে। রপ্তানিও বাড়বে। এ ছাড়া জলবায়ুসহ অন্যান্য চুক্তি থেকেও লাভবান হওয়ার মতো সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এ বিষয়ে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং রিপাবলিকান দলের সংরক্ষণ নীতির পরিবর্তে ডেমোক্র্যাটদের উদার নীতিতে ফেরার ঘোষণায় বিশ্ববাণিজ্যে গতি ফিরবে। ফলে পরোক্ষভাবেও রপ্তানি বাণিজ্যে উপকৃত হবে বাংলাদেশ।
নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের আগে থেকেই এসব পরিবর্তন শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী ২০ জানুয়ারি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন জো বাইডেন। বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের কম-বেশি ২২ শতাংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। দেশের প্রধান পণ্য তৈরি পোশাক। সমজাতীয় অন্যান্য পণ্যসহ মোট রপ্তানি আয়ের ৮৬ শতাংশ আসে পোশাক রপ্তানি থেকে। পোশাকের মোট রপ্তানি আয়ের ২০ শতাংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। বছরে কম-বেশি ৬০০ কোটি ডলার বা ৫১ হাজার কোটি টাকার পণ্য যায় দেশটিতে। কভিডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি বর্তমানে নাজুক। প্রতিষ্ঠিত বেশ কিছু কোম্পানি দেউলিয়া হওয়ার পথে। অন্তত ১৫টি ব্র্যান্ড দেউলিয়া হওয়ার প্রক্রিয়ায় ফাইল খুলেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের পোশাকের বড় ক্রেতা ব্র্যান্ড জেসিপেনি এবং গ্যাপের মতো ব্র্যান্ডও রয়েছে। অনেক মার্কিনি বেকার হয়েছেন। বাইডেন প্রশাসন অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যেই কভিডের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কভিড থেকে অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলোকে যৌক্তিকভাবে পাত্তা দেননি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।